রাজনৈতিক পরিসরে আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে এনসিপি-জামায়াত জোটের আসনবন্টন। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। চাউর হয়েছে, জোট গঠনের আগে এনসিপিকে ৩০টি আসন ছেড়ে দেয়ার আশ্বাস দিলেও বর্তমানে মাত্র ১০টি আসনের বেশি দিতে নারাজ জামায়াত।
কিন্তু এনসিপির নেতৃত্বস্থানীয় একাধিক সোর্স বলছে ভিন্ন কথা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিপির এক নেতা জানান, ৮টি বা ১০টি নয় বরং জামায়াতের সাথে মোট ২৮ থেকে ৩০টি আসনের সমঝোতা হচ্ছে এনসিপির। সোশ্যাল মিডিয়ায় চাউর হওয়া আসন সমঝোতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, এই অভিযোগ পুরোপুরি ধারণাপ্রসূত ও গুজব।
উল্লেখ্য, মোট ৪৭টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থীরা। তবে এই সংখ্যা আরো কমবে বলে ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ভুলত্রুটি ও সম্ভাব্য জটিলতা বিবেচনায় রেখে বাড়তি কিছু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এই বক্তব্য থেকেও ধারণা করা যায়, শুরু থেকেই এনসিপির চূড়ান্ত বিবেচ্য আসন সংখ্যা ছিল ত্রিশ বা তার কাছাকাছি। বঙ্গগ্রাফকে দেয়া এনসিপি নেতার আজকের বক্তব্য নাহিদ ইসলামের আগের এই বক্তব্যেরই পরিপূরক।