‘মিট দ্য ক্যান্ডিডেট’ অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তরে মুখোমুখি জোবাইরুল আরিফ

(উন্নয়ন, জবাবদিহিতা ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে নাগরিক সংলাপ)

চট্টগ্রাম–৮ (চান্দগাঁও–বোয়ালখালী) আসনের রাজনৈতিক বাস্তবতা, উন্নয়ন ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রশ্নে সরাসরি নাগরিকদের মুখোমুখি হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জোবাইরুল আরিফ। চিটাগাং কালচারাল সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মিট দ্য ক্যান্ডিডেট’ ও প্রশ্ন–উত্তর অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক জোবাইরুল আরিফ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চিটাগাং কালচারাল সেন্টারের কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুল করিম টিপু ও আব্দুল্লাহ আল কায়েস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিটাগাং কালচারাল সেন্টারের কেন্দ্রীয় সংগঠক এবি এস মোরশেদ, আবির বিন জাবেদ ও তৌহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মাহমুদ উদ্দিন মুরাদ, কেন্দ্রীয় সংগঠক, চিটাগাং কালচারাল সেন্টার। সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় নাগরিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের প্রশ্ন–উত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা জোবাইরুল আরিফের সামনে সরাসরি দশটি গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক প্রশ্ন উত্থাপন করেন। প্রশ্নগুলোর কেন্দ্রে ছিল তরুণ প্রার্থী হিসেবে তার রাজনৈতিক প্রস্তুতি, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চট্টগ্রাম–৮ আসনের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, বেকারত্ব নিরসন ও মাদকমুক্ত এলাকা গঠনের পরিকল্পনা।

এ ছাড়া নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিশ্বাসযোগ্যতা, নির্বাচনের পর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া, তরুণ ও কিশোরদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি, চাঁদাবাজি ও মামলাবাণিজ্যের বিরুদ্ধে অবস্থান, কর্ণফুলী নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং বিনোদন ও পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রশ্নও তোলেন—নির্বাচনে পরাজিত হলে জোবাইরুল আরিফ চট্টগ্রাম–৮ আসনের মানুষের পক্ষে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সক্রিয় থাকবেন কি না।

আয়োজকদের মতে, এই প্রশ্ন–উত্তর অনুষ্ঠানটি ছিল কেবল একটি নির্বাচনী আয়োজন নয়; বরং একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর দায়বদ্ধতা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিতার একটি উন্মুক্ত মঞ্চ। অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি ও প্রশ্নের গভীরতা স্থানীয় রাজনীতিতে সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

চিটাগাং কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে ভবিষ্যতেও এমন উন্মুক্ত নাগরিক সংলাপের আয়োজন করা হবে, যাতে ভোটাররা প্রার্থীদের অবস্থান ও পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *