ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল দ্বিতীয় দফায় আরও বিস্তৃত ও প্রায় পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।
প্রথম দফার ঘোষণায় দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। ফলে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী ঘোষণাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও কৌতূহল ও আলোচনা বেড়েছে।

এদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদের নামও এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আলোচনায় রয়েছে। যদিও আসিফ মাহমুদ নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় সক্রিয় রেখেছেন, তবে দলীয় একাধিক সূত্রের দাবি—দ্বিতীয় দফার ঘোষণায় তাঁরা শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে পারেন।
এনসিপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানিয়েছেন, প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রে দলটি ‘যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবদান এবং গণভিত্তি’—এই তিনটি মানদণ্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে কারণেই কিছু আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে অতিরিক্ত সময় নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পরিচিত ও প্রভাবশালী মুখ যুক্ত হলে এনসিপির নির্বাচনী কৌশল আরও স্পষ্ট হবে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ দলটির জন্য একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা বহন করবে।
দলীয় সূত্র জানায়, দ্বিতীয় দফার প্রার্থী ঘোষণার পরপরই দেশব্যাপী সমন্বিত নির্বাচনী প্রচারণা আরও জোরদার করা হবে।